Notification texts go here Contact Us Buy Now!

কীভাবে নিরাপদ রাখবেন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার আইডি

এ যুগে একজন আধুনিক মানুষ মানেই, ইনটারনেটে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রোফাইল আইডি বা পরিচয় রয়েছে।
কীভাবে নিরাপদ রাখবেন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার আইডি
কীভাবে নিরাপদ রাখবেন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার আইডি
ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, লিঙ্কডইন বা হোয়াটসঅ্যাপ যাই বলেন, এসব নেটওয়ার্কে আপনার আইডিটি যদি হাতছাড়া হয়ে যায় তাহলে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়। এমন ভুক্তভোগীদের নানা অভিযোগ প্রায়ই শুনতে হয় আমাদের।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি মাসে ২৩৭ কোটি ব্যবহারকারী একদিনের জন্য হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। বাংলাদেশেও এ ব্যবহারকারীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। কীভাবে আপনার সামাজিক নেটওয়ার্কে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন, ঠিক কোন পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে আপনার আইডিটি হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কমবে এ বিষয়ে আজকের প্রতিবেদন।
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা জোরদার
সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাক রোধ করতে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা জোরদার করার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রথমত সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা। মোটামুটি বড় নম্বর, বর্ণ ও বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড একান্তই ব্যক্তিগত; সুতরাং এর গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। পরিবার, বন্ধু এবং কাছের কারও সঙ্গেই এটি শেয়ার করা যাবে না।
টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার জন্য দু’স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করলেও ভালো সুফল পাওয়া যায়। এ ফিচার চালু থাকলে নতুন কোনো ডিভাইস থেকে লগ ইনের সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অ্যাকাউন্টে যুক্ত মোবাইল নম্বরে আসা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) প্রদান করতে হয়। অনলাইনের অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তায় এ পদ্ধতি বিশেষ সুরক্ষা দিতে পারে।
বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা
সামাজিক মাধ্যমে বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করা ভিশন জরুরি। কেননা কে কোন অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা বোঝা যায় না। সুতরাং অপরিচিত কাউকে বন্ধু হিসেবে যোগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এমনকি মিথ্যা পরিচয়ে আপনার বন্ধু হয়ে কোনো হ্যাকার ঢুকে আপনার টাইমলাইনে স্প্যাম ছড়াতে পারে, আপনাকে বিব্রতকর পোস্টে ট্যাগ করতে পারে বা হ্যাকিংয়ের মেসেজ পাঠাতে পারে।
সন্দেহজনক লিঙ্ক এড়িয়ে চলা
যদি ঘনিষ্ঠ কোনো বন্ধু বা ফেসবুক বন্ধুর কাছ থেকে কোনো ই-মেইল, মেসেঞ্জারে বার্তা বা পোস্ট পান, যা হয়তো তার স্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে মেলে না, সবচেয়ে ভালো হবে সেটায় ক্লিক না করা বা সাড়া না দেয়া। যেমন কেউ হয়তো লিখতে পারে যে, সে কোথাও বেড়াতে গিয়ে বিপদে পড়েছে অথবা আপনার মেসেঞ্জারে এমন একটি লিঙ্ক পাঠিয়েছে, যার কোনো কারণ নেই। এ ক্ষেত্রে তাকে আলাদাভাবে অ্যাকাউন্টে নক করে বা বার্তা পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারেন। এ ধরনের সন্দেহজনক কিছু দেখলে রিপোর্ট করার পরামর্শ দিয়েছে ফেসবুক।
অতিরিক্ত পোস্ট বা তথ্য শেয়ার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কোনো তথ্য বা পোস্ট আবেগি হয়ে শেয়ার করা যাবে না। আগে ভালোভাবে জেনে বুঝে তার পর শেয়ার করতে হবে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার সময় বন্ধুকে ট্যাগ করা বা লোকেশন দেয়ার আগে কোনটি ব্যক্তিগত আর কোনটি সবার জন্য, তা ভালো ভাবে ভেবে নিতে হবে।
অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষ যাতে আপনার তথ্য ব্যবহার করে সুবিধা নিতে না পারে বা আপনার অবস্থানগত তথ্য জানাজানি হয়ে গেলে আপনাকে যেন কোনো ঝামেলায় না পড়তে হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত সংবেদনশীল ছবি কিংবা ভিডিও আপলোড না করা ভালো। এডাল্ট কোনো কনটেন্ট আপলোড, শেয়ার কিংবা ইনবক্সে প্রেরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
রিকভারি ই-মেইল
অ্যাকাউন্ট রিকভারি অপশনে মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করা উচিত। এতে কোনো কারণে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলেও মেইলে তার নোটিফিকেশন চলে আসবে এবং চাইলে দ্রুততম সময়ে তা ঠেকানোরও সুযোগ পাওয়া যাবে।
অনলাইনে হ্যাকিং কিংবা কোনো ধরনের বিপদের সম্মুখীন হলে জাতীয় ইমার্জেন্সি সেবা ‘৯৯৯’ কল করে সেবা গ্রহণ করা যাবে।

إرسال تعليق

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.